বাংলাদেশ নিয়ে সংখ্যালঘু কার্ড আর কান্নাকাটি ছাড়া আসলে আপাতত ইন্ডিয়ান স্ট্যাব্লিশমেন্টের কিছুই করার নেই।



নয়াদিল্লিতে কর্মরত ইউরোপীয় গণমাধ্যমগুলোর বেশ কয়েকজনের সাথে আজ বাংলাদেশ নিয়ে কথা হলো। অনেকেই ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া কাভার করছেন।
তাদের মতে, ভারত মানতেই পারছে না যে ১৭০ মিলিয়ন জনসংখ্যার একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট একটি দেশ এভাবে কোন প্রকার গৃহযুদ্ধ ছাড়ায় শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছে।
বাংলাদেশ নিয়ে সংখ্যালঘু কার্ড আর কান্নাকাটি ছাড়া আসলে আপাতত ইন্ডিয়ান স্ট্যাব্লিশমেন্টের কিছুই করার নেই।

ভারতীয় হেজিমনি ও স্টেক হোল্ডাররা দিনের পর দিন বাংলাদেশের রাজনৈতিক শক্তিগুলো নিয়ে পশ্চিমাদের কাছে অনবরত মিথ্যাচার করেছে।

কিছুদিন আগে এক ফরাসি সাংবাদিক আমাকে বললেন, দীর্ঘদিন ধরে দিল্লিতে তাদেরকে বলা হয়েছে বিএনপি নাকি একটি কট্টর ডান রাজনৈতিক দল। পরে সে ১০ বার ঢাকা সফর করে সে ধারণা ভেঙে যায়।
বাংলাদেশ নিয়ে ভারত ও আনন্দবাজারীয় সব হেজিমনি ২০২৪ সালে এসে পশ্চিমের কাছে নষ্ট হয়ে গেছে। ছাত্র জনতার বিপ্লব আমাদেরকে কি দেবে জানি না তবে দুনিয়ার কাছে বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডের নিজস্ব বয়ান তৈরী করেছে। বংলাদেশের তরূণদের সক্ষমতা বুঝতে পারছে তাবৎ শক্তিগুলো।

সবশেষ প্রফেসর ইউনূসের দায়িত্ব নেয়া এমন অবস্থা তৈরী করেছে বাংলাদেশের গণ আন্দোলন পরবর্তী ব্র্যান্ডিং নিয়ে যত ষড়যন্ত্র হোক সেটি রুখে দেয়ার মতো একদল মেধাবী সংবাদকর্মী ও সিভিল সোসাইটি দেশে ও বিদেশে তৈরী হয়েছে।

মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ

About মোঃ আল মাহমুদ খান

Check Also

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে উচ্চমূল্য: দুর্নীতি ও বাজারের নৈরাজ্য: সুযোগ নিচ্ছে দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ীরা

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে উচ্চমূল্য: দুর্নীতি ও বাজারের নৈরাজ্য: সুযোগ নিচ্ছে দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ীরা

আওয়ামী লীগের শেষ মেয়াদে উচ্চ-প্রযুক্তি পণ্যের ওপর একটি কর আরোপ করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের সরকারি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *