ফ্রী ফায়ার কি মুসলিমদের খেলা যাবে?



মুসলিমদের জন্য ফ্রী ফায়ার

অবশ্যই না এটা পুরা হারাম। খালি এদেশের মুসলিমদের জন্য হালাল হলো চুরি-ডাকাতি শিশু ধর্ষণ। আর দুর্নীতি। একটা গেম নিয়ে এই ধরনের চিন্তা করা পুরাই অমূলক কারন পৃথিবীর সব চেয়ে জঘন্য টাইপের মানূষগুলো বাস করে এদেশে, এটা এমনকি বাড়িয়ে বলাও না। শুধু সয়াবিন তেলের দাম কম্পেয়ার করলেই বোঝা যাবে কোন দেশের মানূষ সব চেয়ে জঘন্য। এই তেলের দামের লিস্টে আমেরিকার থেকেও উপরে আছে বাংলাদেশ।

এই দেশের মানূষের কাছে ফ্রি ফায়ার হয়ে গেছে নাম্বার ওয়ান হারাম, আর ধর্ষণ দুর্নীতি বোধহয় লিস্টেই নাই। যত্তসব ফাজিলের দল। অনেক ঠুন্ডা ফাজিলের দল দেখলাম বলতেসে ফ্রি ফায়ার খেলা নাকি শিরক। এগুলোর জীবনের দিকে তাকালে দেখবেন এরা সব সময় অন্য মানূষদের ছোট চোখে দেখে এবং এটাকে তারা কোন দোষের মধ্যেই মনে করেনা। আরে ব্যটা, শয়তানের প্রথম পাপটা কি ছিল ? অন্যকে ছোট চোখে দেখা, এবং পরের পাপটা ছিল ঈশ্বরের অবাধ্যতা।

ব্যটা ফ্রি ফায়ার খেলা শিরক ? তোদের ইসলাম শিখিয়েছে কে ? ইবলিস শয়তানে ? শিরকের ব্যখ্যা শোনার জন্য আমার এখন হুজুরের কাছে যাওয়া লাগবে ? শিরক মানে ঈশ্বরের সাথে কোন কিছুর সরাসরি তুলনা করা। ফ্রি ফায়ার খেলার সময় কে ঈশ্বরের কথা মাথায় আনে ? তুলনা করার কথা তো পরে।

ফ্রি ফায়ার খেলা শিরক না, কুফুরি না, ধর্ষণের মত খারাপ না, চুরি-ডাকাতি বা রাহাজনি করা না। বরং ছেলেপেলেগুলো বাইরে ফস্টীনস্টি না করে বাসায় বসে গেম খেলে।

আপনার সন্তানকে বিড়ি-গাজা আর অসৎ সঙ্গ থেকে রক্ষা করতে চান ?

একটা ভালো গেমিং ফোন কিনে দিন, সারাদিন বাসায় বসে গেম খেলুক, তবু যেন বাইরে গিয়ে অপরের ক্ষতি না করে।

আপনার সন্তানকে বিড়ি-গাজা আর অসৎ সঙ্গ থেকে রক্ষা করতে চান ?

একটা ভালো গেমিং ফোন কিনে দিন, সারাদিন বাসায় বসে গেম খেলুক, তবু যেন বাইরে গিয়ে অপরের ক্ষতি না করে।

দুঃখজনক হলেও সত্যি আমাদের দেশের অনেক শিক্ষিত মানূষও মনে করে দেশটায় ইসলামি শাসন হলে ভালো হবে। এত শিক্ষা দিইয়ে কি লাভ হলো যদি মাইন্ড শিক্ষিত না হয়। আমাদের দেশ আফগানিস্তানের মত হলে ভালো লাগবে ? দেশে ইসলামি শাসন হলে তখন তো এই হুজুরদের হাত সুপ্রিম পাওয়ার চলে যাবে, যার ইচ্ছা হাত কাটবে, যার ইচ্ছা কল্লা কাটবে। তখন কেমন হবে ? আফগানিস্তানে এই হুজুরদের দল অস্ত্র কেনার জন্য গাজা চাষ করতো। আমাদের দেশে দেখা যাবে মানব পাচার আর মানূষের অংগ প্রতংগ ব্লাক মারকেটে বিক্রি শুরু করবে, আইসিসিস যেমনটা করে থাকে। আপনাদের কি সামান্য ধারনাও আছে এই দেশে ইসলামি শাসন কায়েম হলে দেশের কি ভয়ানক পরিস্থিতি হবে ? এখন তো প্রতিদিন দুএকটা ধরষনের ঘটনা পরেন, তখন আর এটাকে ধর্ষণ বলা হবেনা। বলা হবে দাসীর উপর অধিকার।

লেখকঃ নাম জানাতে অনিচ্ছুক

About মোঃ আল মাহমুদ খান

Check Also

ইরানে হামলা চালিয়ে আমেরিকা ‘আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করছে’ – ট্রাম্প

তেহরান দাবি করে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না, জোর দিয়ে বলছে যে তাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *