কাতারে রোশনের দাম বাংলাদেশি টাকায় ১৬০, বাংলাদেশে ১৭০: ক্রেতাদের বোঝা ও সিন্ডিকেটের প্রভাব
বাংলাদেশে বাজারে রোশনের দাম বর্তমানে ১৬০ কাতারে প্রায় ১৭০ টাকা, যেখানে কাতারে একই রোশন বাংলাদেশি টাকায় মাত্র ১৬০ টাকায় পাওয়া যায়। superficially দেখা যায় দাম কম-বেশি প্রায় সমান, কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য এটি একটি বড় বোঝা। কারণ কাতারে গড়ে নাগরিকের আয় অনেক বেশি, তাই তাদের জন্য একই মূল্য অতি নগণ্য।
কাতার বনাম বাংলাদেশ: ক্রয়ক্ষমতার প্রভাব
কাতারে গড় মাসিক আয় প্রায় ১,০০,০০০ টাকা, যেখানে বাংলাদেশে গড় আয় প্রায় ১৫,০০০–২০,০০০ টাকা। অর্থাৎ কাতারের নাগরিকরা ১৬০ টাকার রোশন কিনতে সহজেই পারে, কিন্তু বাংলাদেশে এটি ক্রেতাদের মাসিক বাজেটে বড় চাপ সৃষ্টি করে।
| দেশ | রোশনের দাম (১৬০ কাতার) | গড় মাসিক আয় (টাকা) | আয়ের শতকরা দিক থেকে দাম |
|---|---|---|---|
| কাতার | ১৬০ | ১,০০,০০০ | ০.১৬% |
| বাংলাদেশ | ১৭০ | ২০,০০০ | ০.৮৫% |
টেবিলটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে, বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য দাম কার্যত কাতারের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বেশি চাপ সৃষ্টি করে।
কেন বাংলাদেশে দাম বেশি?
মূল কারণগুলো হলো:
- দূর্নীতি ও সিন্ডিকেট: বাজারে রোশন, আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য মৌসুমি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্ত্বভোগী বড় ভূমিকা রাখে। কৃষক ও পাইকারদের থেকে পণ্য সংগ্রহ করা হয় কম দামে, কিন্তু বাজারে বিক্রয়ের সময় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়।
- পরিবহন ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। সিন্ডিকেটের হাতে থাকা পরিবহন চ্যানেলগুলো ক্রেতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে, যা পণ্যের চূড়ান্ত মূল্যে প্রভাব ফেলে।
- ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক: সরকারী ভ্যাট এবং আমদানি শুল্কও দাম বাড়ানোর একটি কারণ। সিন্ডিকেটের উপস্থিতি এই খরচকে আরও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করে।
- সরবরাহের অমিল: মৌসুমি পণ্য হওয়ায় সরবরাহ সীমিত থাকে। সিন্ডিকেট বাজারে পণ্য ধরে রাখে এবং চাহিদা বাড়লে দাম বাড়িয়ে দেয়।
ক্রেতাদের দুর্দশা
ঢাকার বাজার থেকে জানা যায়, আগে যেখানে ১০০ টাকায় ১৬০ কাতার রোশন কেনা যেত, এখন ক্রেতাদের ১৭০ টাকা দিতে হচ্ছে। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার বলছে, তারা রোশন কেনার জন্য দৈনন্দিন বাজেট থেকে অন্যান্য ব্যয় কমাচ্ছেন। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, সিন্ডিকেট ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের অভাব সাধারণ মানুষকে আঘাত করছে।
বাজার বিশ্লেষকরা কী বলছেন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারের অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে কারণ:
- সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়।
- সরকারী তদারকি দুর্বল।
- কৃষকরা সরাসরি বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন না।
তাদের মতে, যদি সরকার মধ্যস্বত্ত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়, সরবরাহ চেইন সরলীকরণ করে এবং কৃষকদের সরাসরি বিক্রির সুযোগ দেয়, তাহলে দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।
সমাধানের পথ
- সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া: বাজারে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ও পাইকার নিয়ন্ত্রণ করা।
- সরাসরি বিক্রয় উৎস: কৃষক ও পাইকারদের সরাসরি বাজারে বিক্রয়ের সুযোগ নিশ্চিত করা।
- মূল্য মনিটরিং বৃদ্ধি: সরকারের দপ্তরগুলোর মাধ্যমে বাজার মনিটরিং শক্তিশালী করা।
- ভ্যাট ও আমদানি নীতি হালকা করা: যাতে আয় কম থাকা সাধারণ মানুষও পণ্য ক্রয় করতে পারে।
উপসংহার
কাতারে রোশনের দাম বাংলাদেশি টাকায় ১৬০ হলেও ক্রয়ক্ষমতার তুলনায় বাংলাদেশে ১৭০ টাকার রোশন ক্রয় করা প্রায়শই নাগরিকদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। সিন্ডিকেট, দূর্নীতি এবং নিয়ন্ত্রণহীন বাজার ব্যবস্থার কারণে দাম বাড়ছে। তাই সরকারের উচিত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাতে নাগরিকরা অর্থনৈতিক চাপ ছাড়াই মৌসুমি পণ্য ভোগ করতে পারে।
উল্লেখযোগ্য রেফারেন্স:
TBS News,
Dhaka Tribune,
Financial Express
পুলকিত বাংলাদেশ প্রতিদিনের খবর, প্রতি মুহূর্তের আপডেট

The jl33app is actually pretty slick! Runs smoothly on my phone, and I can easily play on the go. Saves me so much time having to switch between devices. Thumbs up! jl33app
Just played around on wjcasino. Super easy to use and the games are legit. Seriously, check them out. More fun awaits here wjcasino